শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

রাজ রিপাকে কেন সোনার পায়েল দিলেন পরীমনি

রাহিমা আক্তার মুন্নী / ৪৬ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১

রাজ রিপাকে কেন সোনার পায়েল দিলেন পরীমনি

জাতীয় ব্যাডমিন্টন দলের সদস্য ছিলেন রাজ রিপা। খুলনা বিভাগে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিলেন। ব্যাডমিন্টনকে বিদায় জানিয়ে এখন চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার গড়তে চাইছেন এই নবাগতা। ‘দহন’ সিনেমায় একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। গত বছরের শেষ দিকে শুরু করেন ইফতেখার চৌধুরী পরিচালিত ‘মুক্তি’ ছবির কাজ। আর মাত্র একটি গান ও কয়েকটি দৃশ্যে শুটিং বাকি আছে বলে জানালেন ঢালিউডের এই নতুন নায়িকা।

বৃহস্পতিবার রাতে পরীমনির সঙ্গে তাঁর বনানীর বাসায় দেখা করতে যান রাজ রিপা। সব মিলিয়ে তিনি ঘণ্টাখানেক ছিলেন।
অল্প সময়ের এই অভিনয়জীবনে চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে তাঁর কখনোই দেখা হয়নি। রিপা বললেন, ‘“স্ফুলিঙ্গ” ছাড়া পরী আপুর সব ছবিই আমার দেখা। তিনি আমার ভীষণ পছন্দের একজন মানুষ।’ তাই পরীমনি যখন কারাগারে আটক ছিলেন, তাঁর মুক্তির দাবিতে করা মানববন্ধনে অংশ নেন তিনি।

কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার রাতে পরীমনির সঙ্গে তাঁর বনানীর বাসায় দেখা করতে যান রাজ রিপা। সব মিলিয়ে তিনি ঘণ্টাখানেক ছিলেন। রাজ রিপা জানালেন, ‘তবে কখনো কথা না বলায় কিছুটা ভুলও বুঝেছিলাম। সামনাসামনি দেখার পর তাঁর প্রতি আমার সব ধরনের ভুল ধারণা এবার ভেঙে গেছে। আপু যে সত্যিকার অর্থে একজন ভালো মনের মানুষ, আমি ভালোভাবেই উপলব্ধি করলাম।’ আলাপের একপর্যায়ে পরীমনি তাঁর পা থেকে সোনার পায়েল খুলে তাঁকে উপহার দেন। পরীমনির কাছ থেকে এভাবে উপহার পাবেন, কখনো ভাবেননি রাজ রিপা।

আজ শনিবার জানালেন, ‘আমি সত্যিই ভীষণ অবাক হয়েছি। পরে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে রাজ রিপা লেখেন, এভাবে “ছোট বোন” বলে ডাকলা পরীমনি আপু। তাহলে আমার “বড় বোন” ডাক নামটা ব্যর্থ হয়নি। তোমাকে খুব কাছে থেকে দেখার পর আমার কিছু ভুল ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। শ্রদ্ধা-ভালোবাসা আরও দ্বিগুণ হয়ে গেল।’

৪ আগস্ট মাদকের মামলায় গ্রেপ্তার হন পরীমনি। আটক ছিলেন ২৭ দিন। কঠিন এই সময় পার করার সময়ে তাঁর আশপাশের মানুষগুলোকে সত্যিকারভাবে চিনতে পারেন। কারাগার থেকে বের হয়েই এক বার্তায় সেই কথা বলেছেনও। সেদিন পরীমনির ডান হাতের তালুতে মেহেদি দিয়ে লেখা ছিল ‘ডোন্ট লাভ মি বিচ’।

এই লেখার কারণ সম্পর্কে বলেন, ‘যারা বিচ, তাদের উদ্দেশে এমন কথা বলেছি। লেখাটা পড়ে যাদের মনে হবে, আল্লাহ, আমাকে নিয়ে এটা লিখল—তাদের উদ্দেশেই এই লেখা। ওদের তালিকা তো আমি নাম ধরে বলতে পারব না। আমাকে আটক, গ্রেপ্তার এবং কারাগারে নিয়ে যাওয়ার পর তাদের জীবন সার্থক মনে হয়েছে। কেউ কেউ তো খুশিতে নাচাও শুরু করেছে। যেই আমি ফিরে আসছি, অনেকে আবার মিস ইউ, লাভ ইউ বলা শুরু করছে। এই ধরনের ভালোবাসা আমার দরকার নাই। আমি তাদেরকেই বলেছি, তোমরা আমাকে ভালোবাইসো না। আমি যাদের জন্য পরীমনি, যারা সত্যি সত্যি আমাকে অন্তরের মধ্যে বসাইয়ে রাখছে, তাদের আমি সব সময় ভালোবাসি। আজীবন ভালোবাসি।’


এই বিভাগের আরো খবর