শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:২৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

হেলিকপ্টারে চড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল

রাহিমা আক্তার মুন্নী / ৫০ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১

হেলিকপ্টারে চড়ে প্রেসিডেন্ট রিসোর্টে জায়েদ খান মিশা ডিপজল রুবেল

হেলিকপ্টারে চড়ে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট উদ্বোধন করতে এসেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান, জনপ্রিয় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর, মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও চিত্রনায়ক রুবেল। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা থেকে একটি বেসরকারি হেলিকপ্টারে করে কিশোরগঞ্জের মিঠামইন হাওরে নামেন তারা। এ সময় তাদের সঙ্গে আরও দুজন উঠতি চিত্রনায়িকাও ছিলেন।

জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের সুবিস্তৃত হাওর এখন অবাধ জলরাশিতে কানায় কানায় পূর্ণ। ছুটির দিনে মানুষ হাওরের জলে একটু শরীর ভেজানোর জন্য ছুটে আসছে। প্রকৃতির অনিন্দ্য সুন্দর এই হাওরে মানুষের মনকে আরেকটু রাঙাতে রাত্রিযাপনের প্রয়াসে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে হাওরের মধ্যে নির্মিত হয়েছে বিলাসবহুল প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট। হাওরের মাঝে বসেই প্রকৃতিকে খুব কাছ থেকে দেখা যাবে প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট থেকে। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই রিসোর্টের দরজা খুলেছে।

প্রেসিডেন্ট রিসোর্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতেই ঢাকা থেকে জায়েদ খান, মিশা সওদাগর, মনোয়ার হোসেন ডিপজল ও রুবেল হেলিকপ্টারের চড়ে হাওরাঞ্চলে এসেছেন।

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা মিঠামইনে নির্মাণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক ও অভিজাত প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট। হাওরাঞ্চলে এই প্রথম ব্যক্তি উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন একটি রিসোর্ট নির্মিত হয়েছে। যেখানে তারকা হোটেলের সমান সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলা কিশোরগঞ্জের ‘হাওরের বিস্ময়’ হিসেবে পরিচিত ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অল-ওয়েদার সড়কের মিঠামইন জিরো পয়েন্ট থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ঘাগড়া ইউনিয়নের হোসেনপুরে দক্ষিণের হাওরে এর অবস্থান। স্থানীয় বাসিন্দা ডা. এ বি এম শাহরিয়ার তার হাওরের পৈতৃক সম্পত্তির ৩০ একর জায়গায় গড়ে তুলেছেন এই প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট।

দেশের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের এলাকায় এই রিসোর্ট নির্মাণ হওয়ায় এর মালিক রিসোর্টের নামকরণ করেছেন ‘প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট’। সেখানে বিশাল একটি পুকুর আছে। পুকুরের চারদিকে গড়ে তোলা হয়েছে রিসোর্টটি। পুকুরের উত্তর পাশে রেস্টুরেন্ট আর দক্ষিণ পাশে গড়ে তোলা হয়েছে কটেজগুলো। এর চারদিকে লাগানো হচ্ছে সৌন্দর্যবর্ধনকারী বিভিন্ন প্রজাতির হাজারো গাছ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বিস্তীর্ণ হাওরে সবুজের এই সমারোহ পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেবে মুহূর্তেই। কটেজগুলোর দক্ষিণে প্রায় ১০-১৫ কিলোমিটার বিস্তীর্ণ জলরাশি নিঃসন্দেহে হাওরপ্রেমীদের চোখ জুড়াবে।


এই বিভাগের আরো খবর