শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

এই বাংলার মাটিতে আর আসবো না’ বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে যাত্রী।

সিলেট প্রতিনিধি / ৭০ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

এই বাংলার মাটিতে আর আসবো না’
বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে যাত্রী।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন ব্রিটিশ নারী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের হাতে হয়রানির শিকার হয়ে ফেসবুক লাইভে এসে বলেছেন, ‘মা-বাবা চলে গেলে এই বাংলার মাটিতে আমি আর আসবো না। আমি এতো লাঞ্ছিত হয়েছি।’

এদিকে, প্রবাসী ঐ নারীর আবেদন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সর্বত্র নাড়া দেয়। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিলেট বিমানবন্দরে প্রায়ই হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়। যা অনেকটাই জনসমক্ষে আসেনা।

বৃটিশ ঐ নারীকে হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষ। একজনকে সাময়িক বরখাস্ত ও আরেকজনকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক চৌধুরী ওমর হায়াত শনিবার সন্ধ্যায় ইত্তেফাককে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান ঘটনাটি খতিয়ে দেখতে কর্তৃপক্ষ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।

গত বুধবার বাংলাদেশ বিমানের (বিজি-২০১) সিলেট-লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে যুক্তরাজ্য যাওয়ার কথা ছিল জামিলা চৌধুরীর। ফ্লাইট ধরতে তিনি ওইদিন দুপুর সোয়া ১টায় বিমানবন্দরে হাজির হন। চেক ইনের সময় তিনটি লাগেজে তার মালামাল ৮৪ কেজি ওজন হয়। নির্ধারিত ওজনের চেয়ে ৪৪ কেজি বাড়তি হওয়ায় অতিরিক্ত ফি আসে। এ নিয়ে বিমান কর্মকর্তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় জামিলার এবং তাকে অপমান করা হয় অভিযোগ করে- নিজের ফেসবুক লাইভে বলেন ৩ ঘণ্টা আগে বিমানবন্দর পৌঁছানোর পরও কর্মকর্তাদের অসহযোগিতার কারণে তাকে রেখেই প্লেন ছেড়ে চলে যায়। ফেসবুক লাইভে জামিলা চৌধুরী জানান, তিনি যুক্তরাজ্যে একটি মানবাধিকার সংঘটনে কাজ করেন। নিজের বাবার অসুস্থতার খবর পেয়ে দেশে এসেছিলেন ফেরার আগে তিনি লন্ডনে কোয়ারেইন্টাইনে থাকার জন্য হোটেলও বুকিং দিয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর