শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

রামগঞ্জে শহর ফাঁকা

রামগঞ্জ প্রতিনিধি / ১৩৮ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১

দেশে প্রতিদিন রেকর্ড ভেঙ্গে করোনার উর্ধগতিতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

চলতি লকডাউনে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলি ও মার্কেট ফাঁকা দেখা গেলেও অলিগলি ও গ্রামাঞ্চলের দোকানপাট হাটবাজারগুলি চলছে স্বাভাবিক গতিতে।

এ ব্যাপারে সচেতন মহল শহরে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী ও বিজিপি কঠোরভাবে তৎপরতা থাকলেও গ্রামাঞ্চলে সেভাবে তৎপরতা দেখা যায় না এবং জনপ্রতিনিধিদের নিস্ক্রিয়তা দায়ী করছেন। জনপ্রতিনিধিরা মাইকিং ও মসজিদে মসজিদে চিঠি বিতরন করে যেন দায় শেষ।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত উপজেলার নোয়াগাঁও, ভোলাকোট,ভাদুর,দরবেশপুর ইউনিয়নের সমিতির বাজার, নাগমুদ বাজার,পানিওয়ালা বাজার,নোয়াগাঁও বাজারসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, দোকানপাট সব খোলা। মানুষ সেলুনে চুল কাটছে, হোটেলগুলিতে মানুষ ভাত,চা-নাস্তা খাচ্ছে,কেউ আবার বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে।মানুষ আগের মত অপ্রয়োজনেও বাজারে এসে ভিড় জমাচ্ছে। কর্মহীন মানুষ পাড়া মহলার চা দোকান গুলিতে চা খাচ্ছে, টেলিভিশন দেখছে। সবই স্বাভাবিক।

জাহিদ হোসেন, সোহাগ, হাসিম সহ বাজারে আসা কয়েকজন বলেন, কাজ নেই রুজিরোজগার বন্ধ, তাই বাড়িতে আর কতক্ষন থাকবো বাজারে একটু ঘুরে যেতে আসছি।

শিক্ষক বাকি, মাওলানা সুবহান,শাহাদাত হোসেনসহ কয়েকজন জানান, প্রশাসনের ও অল্প সংখ্যক পুলিশের একা পুরো রামগঞ্জ উপজেলা নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধিরা স্বক্রীয় থাকলে মানুষ আরো ভালভাবে লকডাউন মানতে বাধ্য থাকতো। এ গ্রামঞ্চলে মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যরা জানান, বিগত লকডাউনে প্রশাসনের পাশাপাশি জনপ্রতনিধিরা আরো বেশী সক্রিয় ছিল এ কথা সত্য। বর্তমানেও প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।

রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপ্তি চাকমা জানান, আমরা যখন যেখানে যাচ্ছি, সেখানে সচেতনতামূলক প্রচারনা ও জরিমানা করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদেরকে মিটিং করে তাদের স্বস্ব এলাকায় লকডাউন বাস্তবায়নের কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া আছে।


এই বিভাগের আরো খবর