শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

প্রতিদিন পানিতে ডুবে মারা যায় গড়ে ৫০ শিশু

জহির উদ্দিন মাহমুদ / ১২২ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

প্রতিদিন পানিতে ডুবে মারা যায় গড়ে ৫০ শিশু

দেশে প্রতিদিন গড়ে ৫০ শিশু পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

তিনি বলেন, এই তথ্য যদি সঠিক হয়ে থাকে, তা অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক। আমি মনে করি, সকলের প্রচেষ্ঠা ও সতেনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধ করা সম্ভব।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সচিবালয়ে ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ’ শীর্ষক জাতীয় মতবিনিময় (ওয়েবনিয়ারে) সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে শিশু মৃত্যুর একটি অন্যতম প্রধান কারণ পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু। উন্নত দেশগুলো এই অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনতে পারলেও উন্নয়নশীল দেশেগুলোতে উচ্চ হারে পানিতে ডুবে শিশুদের মৃত্যু হচ্ছে। বাংলাদেশেও প্রতি বছর অনেক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়। যা শিশুর সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় বাধা। প্রশিক্ষণ প্রদান, সচেতনতা বৃদ্ধি, সন্মিলিত উদ্যোগ ও সঠিক কর্মপরিকিল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার শুণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে।

এসময় প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, বাংলাদেশের প্রচেষ্ঠায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধবিষয়ক প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। গৃহীত প্রস্তাবে পানিতে ডুবে মৃত্যুকে একটি নিরব মহামারী হিসেব স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রতি বছরের ২৫ জুলাই বিশ্বব্যাপী পানিতে ডুবে মৃত্যুরোধ দিবস পালিত হবে। জাতিসংঘের এ প্রস্তাব পাসের পর এই শিশু মৃত্যু রোধে, বাংলাদেশের দায়িত্বও অনেক বেড়ে গেছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকাররে সাবেক উপদেষ্টা, ও গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধূরীর সভাপতিত্বে ওয়েবনিয়ারে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফজলে হাসান বাদশা, ড. মনজুর আহমদ, সেলিনা হোসেন এবং  বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানের সহযোগী সংগঠন হিসেবে আরো ছিল বাংলাদেশ ইসিডি নেটওয়ার্ক, সিআইপিআরবি ও যুক্তরাস্ট্রের দাতা সংস্থা গ্লোবাল হেলথ ইনকিউবেটর।


এই বিভাগের আরো খবর