শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

১৪১ কোটি টাকা ব্যয় কমছে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের

জহির উদ্দিন মাহমুদ / ১২৩ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১

কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের কাজে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা ব্যয় কমানো হয়েছে। কাজ শেষে এ ব্যয় আরও কমে আসবে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপথ অধিদফতর (সওজ) কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা-ই-রাব্বী।

তিনি বলেন, কুমিল্লার টমছমব্রিজ থেকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ পর্যন্ত ৫৯ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক মহাসড়কটিকে ফোরলেনে উন্নীতকরণের জন্য বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ১৭০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। ব্যয় কমিয়ে ২০৩০ কোটি টাকা করা হয়েছে।

এদিকে ২০২০ সালের জুন মাসে প্রকল্পটির কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলে এখনো পুরো কাজ সমাপ্ত করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রকল্পটির মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন মাস পর্যন্ত টেনে নেয়া হয়েছে।

সওজ কুমিল্লা সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কটির কুমিল্লা অংশের দৈর্ঘ্য ৪৪ কিলোমিটারের মধ্যে ৪২ কিলোমিটার অংশের ফোরলেন সম্প্রসারণের কাজ শেষ হয়েছে। বাগমারা অংশে দুই কিলোমিটার সড়কের ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা ছিল। সম্প্রতি ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা কেটে গেছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দের কথা মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলে বাকি দুই কিলোমিটার অংশের সম্প্রসারণ কাজ শুরু হবে।

অপরদিকে ৪২কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণ হলেও পুরোপুরি কাজ শেষ হয়েছে সড়কের ৬০ শতাংশ অংশের। ২০১৯ সালে কাজ খুব দ্রুত গতিতে অগ্রসর হয়। ২০২০ সালে করোনার প্রভাব শুরু হওয়ার পর কাজে ধীরগতি দেখা দেয়। যে পরিমাণ কাজ বাকি আছে তার প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও গতি থাকলে এক বছরের কম সময়ের ব্যবধানে কাজটি শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু ভূমি অধিগ্রহণসহ নানা জটিলতায় নির্দিষ্ট সময়ে এর কাজ শেষ করা যায়নি।

২০১৭ সালে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। ২০১৪ সাল থেকেই সড়কটি চলাচলের জন্য প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সামান্য বৃষ্টিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ এ সময়ে সড়কটিতে বেশকিছু দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটে। প্রাণহানির ঘটনাও ছিল অনেক। বর্তমানে সড়কের টমছমব্রিজ, জাঙ্গালিয়া, বাগমারা বাজার, হরিশ্চর, আলীশ্বর, লাকসাম বাইপাস এলাকার কাজ চলায় ওইসব অংশে তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

উপকূল বাস সার্ভিসের পরিচালক অধ্যাপক কবির আহমেদ বলেন, সড়কটি খারাপ হওয়ায় যাত্রীরা ফেনী হয়ে নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর যাচ্ছেন। খুব প্রয়োজন না হলে কেউ এই সড়কে যাতায়াত করতে চান না। সড়ক ভাঙা হওয়ায় ঘন ঘন গাড়ি বিকল হচ্ছে। দ্রুত সড়কটি মেরামত করা না হলে গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে।

সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী রেজা-ই-রাব্বি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ জটিলতার কারণে প্রকল্পটি শেষ হতে দেরি হচ্ছে। আশা করি বর্ধিত সময়ের মধ্যে কাজটি পুরোপুরি শেষ হবে।


এই বিভাগের আরো খবর