শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:২৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

লক্ষ্মীপুরে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পরিবারের দোকান উদ্বোধন করলেন ইউএনও

চলমান বাংলা ডেক্স / ১৪৫ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৫ দৃষ্টি প্রতিবন্ধীকে দেওয়া দোকান ঘর উদ্বোধন করেছেন ইউএনও সাবরীন চৌধুরী।
মঙ্গলবার (১১ মে) দুপুরে উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের লামছরি গ্রামে দোকানটি উদ্বোধন করেন তিনি। উপজেলা ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ‘ইসমাইল ভ্যারাটিজ স্টোর’ নামের এ দোকানটি করে দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ৫ জন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী কষ্টে জীবনযাপন করছেন- এমন খবর পেয়ে ইতোমধ্যে ছুটে এসেছেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসাইন আকন্দ ও ইউএনও সাবরীন চৌধুরী। পরিবারটিকে খাদ্য সামগ্রী, নগদ অর্থ ও দোকান ঘর করে দেন। এবার দোকানের মালামাল পৌঁছে দিয়ে উদ্বোধনও করে দিলেন।
ইউপি সদস্য আরিফুর রহমান জানান, হাফেজ মোঃ ইসমাইল (৫৫) একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তাঁর ৩ ছেলে রহমত উল্যা (৩৫), আয়াত উল্যা (৩০) ও নেয়ামত উল্যা (২০) জন্মগতভাবেই অন্ধ। একই অবস্থা ইসমাইলের বড় বোন আমেনা বেগমের (৬০)। তাঁর মা-বাবাও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী অবস্থায় মারা যান প্রায় ১৫/১৬ বছর আগে। আয়াত উল্যার ৬ বছরের কন্যা রাবেয়াও জন্মগত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজ ইসমাইল হোসেন বলেন, খাদ্য সামগ্রী, মালামালসহ দোকান ও নগদ অর্থ সহায়তা পেয়ে আমরা খুশি। আশা করি দোকানের আয় থেকে আমাদের সংসারের কিছুটা হলেও দূর্ভোগ লাঘব হবে।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইসমাইর পরিবারের ৫ সদস্য ও তাঁর বোনসহ ৬ সদস্যকে প্রতিবন্ধী ভাতা কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে। তাঁরা নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। এছাড়াও সময়ে সময়ে বিভিন্ন ধরণের বরাদ্ধের আওতায় তারা সহায়তা পাচ্ছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরীন চৌধুরী বলেন, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এ পরিবারটির প্রতি অতীতের মতোই আমাদের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। তাদের সাবলম্বি করার প্রয়াস থেকেই দোকান করে দেওয়া হয়েছে। দোকানের আয় থেকে তারা কিছুটা স্বচ্ছলতা পাবে এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।


এই বিভাগের আরো খবর