মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

একজন মানবতার ফেরিওয়ালা কমলনগরের আবদুর রহমান দিদার

মোস্তাফিজুর রহমান টিপু / ২১১ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ১০ মে, ২০২১

একজন মানবতার ফেরিওয়ালা কমলনগরের আবদুর রহমান দিদার

করোনার ঝুঁকি উপেক্ষা করে  অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ত্রান পৌঁছে দিচ্ছেন লক্ষ্মীপুর কমলনগরের আবদুর রহমান দিদার। দ্বিতীয় ধাপে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লাগাতার লকডাউনে নিম্ন আয়ের মানুষের রুজি রোজগার থেমে গেছে। এসব অসহায় মানুষদের সন্ধানে প্রতিদিন নিজের ভাড়া করা অটো-রিক্সা ভর্তি খাদ্য সামগ্রী নিয়ে গ্রামের অলিতে-গলিতে ডুকে নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছিয়ে দিচ্ছেন তিনি। এসব খাদ্য সামগ্রির মধ্যে রয়েছে, চাল, ডাল, আটা ও ছোলাসহ ১০কেজি ওজনের খাদ্যপণ্য।

রবিবার দুপুরে কমলনগরের হাজিহাট সড়কের উপর দেখা গেছে খাদ্যপণ্যের বহনকারী গাড়ী থামিয়ে এক দিন মজুরকে নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রি তুলে দিচ্ছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গ্রামের, দিনমজুর, রিক্সাওয়ালা, শ্রমিক, কুলি, কৃষক, খেটে খাওয়া মানুষগুলোর বিপদআপদে খোজ খবর নিতে বাড়ী চলে যান মানবতাকামী এ মানুষটি। সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেন তাদের সহযোগিতায়। 

উপজেলার মতির হাট, কাদির পন্ডিতের হাট, মাতব্বর হাট, চেয়ারম্যান বাজার,  বাশতলা, দশ গড়িয়া সমাজ, তনু উল্ল্যা সমাজ, মাতব্বর হাট, নদীর পাড়, নবী গন্জ লরেন্স বাজার হাফিজিয়া মিয়াপাড়া, সরকারী দিঘির পাড়, ১২ মাঝির টেক নূরি পুর ও বাদামতলি এলাকায় এ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছিয়ে  দিয়েছেন আবদুর রহমান দিদার।

জেলার কমলনগর উপজেলার সাবেক ২নং চর লরেন্স ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মরহুম হাজী আবদুল গফুর সাহেবের ছোট ছেলে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফিজুর রহমান ফারুক এর ছোট ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আবদুর রহমান দিদার। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র কল্যাণ সংস্থার জেলা সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর জেলা সেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন।

দিনমজুর রহিম আলী জানান, লকডাউনে রুজি রোজগার না থাকায় খুব কষ্টে দিন অতিবাহিত করছি। দিদার ভাইয়ের খাদ্য সহায়তা পেয়ে আমি অনেক খুশি। 

আবদুর রহমান দিদার জানান, করোনার ধাক্কায় যারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন, টাকার অভাবে খাদ্য জোগাতে পারেননা, না খেয়ে থাকছেন, মোট কথা গ্রামের হতদরিদ্র যে মানুষটির বাড়িতে চুলা জ্বালানোর সামর্থ্য নেই তাদের খুঁজে নিজ হাতে খাদ্য সামগ্রি পৌঁছে দিতে নিজেকে স্বাচ্ছন্দ্যেবোধ করেন।  তিনি বলেন, করোনা দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর লকডাউন পড়ার পর থেকে আমি এ কার্যক্রম শুরু করেছি। চেষ্টা করেছি এটি অব্যাহত রখতে।


এই বিভাগের আরো খবর