শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২২ পরীমণির বিয়ের মেনুতে কী কী ছিল স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উচিৎ? বি’ব্র’তক’র সা’দাস্রা’ব প্র’তিরো’ধে ক’রণী’য়। প্র’ত্যে’ক মে’য়ে’র জেনে রা’খা প্র’য়োজ’ন লক্ষ্মীপুরে আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদ নিয়ে টানাটানি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বিয়ে, যা বললেন পরীমনি ভায়াগ্রা নয়, পেঁয়াজ দিয়েই বাড়ান ৩গুণ সেক্স! এবং সহবাসে সঙ্গীকে দিন পরিপূর্ণ তৃপ্তি! শা’রী’রিক মি’ল’নে চ’র’ম আন’ন্দ পে’তে ট্রা’ই ক’রু’ন এই ভ’ঙ্গি’মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা ও’ষুধ-ক’নডম ছাড়াই কিভাবে জ’ন্ম নি’য়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবা’হিত দম্পতিরা জেনে রাখু’ন
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০:২৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

বিকল্প মেঘনা সেতু কমাবে ঢাকার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলার দূরত্ব

বিশেষ প্রতিনিধি / ৪১১ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

 

মেঘনা নদীর ওপর আরও একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এটি চালু হওয়ার পর রাজধানীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর দূরত্ব কমে আসবে।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মধ্যে সংযুক্ত হবে প্রস্তাবিত সেতুটি।

সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে নির্মিত হতে যাওয়া এ সেতুটি হবে ১ দশমিক ৬৮ কিলোমিটারের।

তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হবে গর্ভমেন্ট টু গর্ভমেন্ট (জিটুজি) পদ্ধতিতে। এ প্রকল্পের বাণিজ্যিক সমীক্ষা প্রতিবেদনের কাজ করবে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান।

এ বিষয়ে সেতু বিভাগের সচিব বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিকল্প হিসেবে কাজ করবে সেতুটি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বাঞ্ছারামপুর এবং নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়বে।

শুধু তাই নয়, ভারতের আগরতলার সঙ্গেও দূরত্ব কমবে।

তিনি বলেন, এ সেতুটি নির্মিত হলে ওই এলাকায় নতুন নতুন শিল্প কারখানা তৈরি হবে। ফলে কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে।

সেতু কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, ভুলতা-আড়াইহাজার-বাঞ্ছারামপুর সড়কে ফেরিঘাটের ১০০ মিটার উজানে নির্মিত হবে তৃতীয় মেঘনা সেতু। এর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা করে নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় সাত হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা। এ সেতু দিয়ে দৈনিক ১৯ হাজার ৩৯৪টি গাড়ি চলাচল করবে বলে সমীক্ষার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

চার লেনের এ সেতুটি দৃষ্টিনন্দন ‘স্টিল-কংক্রিট কম্পোজিট বক্স গার্ডার কেবল স্টেড ব্রিজ’ হবে। এর মূল স্প্যান ৬৫০ মিটার এবং অন্যান্য স্প্যান ১১০ মিটার; নৌযান চলাচলের জন্য ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স ১৮ দশমিক ৩০ মিটার ধরা হয়েছে।

সেতুটি নির্মাণের জন্য ২৪৭ দশমিক ২৭ একর জমি অধিগ্রহণ করা হবে। ওই জমির মূল্য বহন করবে সেতু বিভাগ।

জানা গেছে, পিপিপির আওতায় জিটুজি ভিত্তিতে বাস্তবায়নে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান দাইয়ু ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন সেতুটি নির্মাণের প্রস্তাব দেয়। এরপর কোরিয়ার সরকার তিনটি প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে দিয়েছে৷ প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো- কোরিয়ান দাইয়ু, হুন্দাই ও কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন। এতে করে প্রকল্প বাস্তবায়নে দরপত্র আহ্বানের প্রয়োজন হবে না৷


এই বিভাগের আরো খবর