শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৩০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না

বিশেষ প্রতিনিধি / ২১৭ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তকে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি চরম অবমাননা বলে মন্তব্য করেছে বিএনপি। দলটির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শামিল।’

মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭২তম সভায় জিয়াউর রহমানসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খানের বীর মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্তগুলো সুপারিশ আকারে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর পর গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না
জিয়াউর রহমানের ‘মুক্তিযোদ্ধা খেতাব’ বাতিলের সিদ্ধান্ত জনগণ মানবে না

খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘প্রথম কথা হচ্ছে, সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আমরা এখনো জানি না। যদি সরকার এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, তা হবে দুর্ভাগ্যজনক। এটা সম্পূর্ণভাবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা করা হবে। কারণ, মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান তাঁর শত্রুরাও স্বীকার করেন। সেখানে যদি এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা হবে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অসম্মান ও অবমাননা।’

তিনি আরো বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর নামেই জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন, এটা অস্বীকার করতে পারবে না। তিনিই প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ শুরু করেন এবং তিনি প্রথম বিদ্রোহ করেন কালুরঘাট থেকে। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, জেড ফোর্সের কমান্ডার ছিলেন—এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে?’

বিএনপি নেতা বলেন, স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগ সরকারই ক্ষমতায় ছিল। তারাই তো জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে জিয়াউর রহমানকে সর্বোচ্চ খেতাব বীর উত্তম উপাধি দিয়েছিল। এখন অন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শামিল হবে। জনগণ এ সিদ্ধান্ত মানবে না।

প্রসঙ্গত, সরকারের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধার গেজেট অনুসারে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘বীর উত্তম’, শরিফুল হক ডালিম ‘বীর উত্তম’, নূর চৌধুরী ‘বীর বিক্রম’, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খান ‘বীর প্রতীক’ ছিলেন।

এদের মধ্যে শরিফুল হক ডালিম, নুর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী ও মোসলেহ উদ্দিন খান স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যা মামলায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি।


এই বিভাগের আরো খবর