শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২২ পরীমণির বিয়ের মেনুতে কী কী ছিল স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উচিৎ? বি’ব্র’তক’র সা’দাস্রা’ব প্র’তিরো’ধে ক’রণী’য়। প্র’ত্যে’ক মে’য়ে’র জেনে রা’খা প্র’য়োজ’ন লক্ষ্মীপুরে আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদ নিয়ে টানাটানি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বিয়ে, যা বললেন পরীমনি ভায়াগ্রা নয়, পেঁয়াজ দিয়েই বাড়ান ৩গুণ সেক্স! এবং সহবাসে সঙ্গীকে দিন পরিপূর্ণ তৃপ্তি! শা’রী’রিক মি’ল’নে চ’র’ম আন’ন্দ পে’তে ট্রা’ই ক’রু’ন এই ভ’ঙ্গি’মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা ও’ষুধ-ক’নডম ছাড়াই কিভাবে জ’ন্ম নি’য়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবা’হিত দম্পতিরা জেনে রাখু’ন
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৪০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

কমলনগর পাটারীরহাট ইউপি অর্ধ্বেক মেঘনায় বিলীন: ওয়ার্ড বিভাজনের দাবী সুবিধা বঞ্চিতদের

জহির উদ্দিন মাহমুদ / ২৮৬ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

কমলনগর পাটারীরহাট ইউপি অর্ধ্বেক মেঘনায় বিলীন: ওয়ার্ড বিভাজনের দাবী সুবিধা বঞ্চিতদের

লক্ষ্মীপুর থেকে এম জেড মাহমুদঃ

লক্ষ্মীপুর জেলাধীন কমলনগর উপজেলার ৬নং পাটারীরহাট ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ড নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করেছে কয়েক হাজার বাসিন্দা। নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এসব এলাকার মানুষ।

পাটারীরহাট ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, লক্ষ্মীপুর জেলাধীন কমলনগর উপজেলার ৬নং পাটারীরহাট ইউনিয়নটি ২২ বর্গ কিঃ মিঃ এলাকা জুড়ে অবস্থিত ছিল। এটি মেঘনা নদীর তীরবর্তী একটি ইউনিয়ন। এখানে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসতি। এই ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার। বিগত কয়েক বছর যাবত নদী ভাঙ্গনের ফলে পাটারীরহাট ইউনিয়নের ১ ও ৯নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে ২নং ওয়ার্ডের ৮০%, ৭নং ওয়ার্ডের ৫০%, ও ৮নং ওয়ার্ডের ৪০% ভেঙ্গে প্রায় ৮কিঃ মিঃ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গিয়াছে।

নদী ভাঙ্গনের ফলে ভাঙ্গন এলাকার জনগণ বিভিন্ন জায়গায় অস্থায়ী ভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। তারা সরকারের প্রদত্ত সকল নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

নুরুল ইসলাম বলেন, আমি ১নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলাম। ১নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণ নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় আমি অন্য ওয়ার্ডে বসবাস করছি। সরকারের প্রদত্ত নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না।

বশির ফরাজি বলেন, আমি ৯নং ওয়র্ডের বাসিন্দা ছিলাম। এ ওয়ার্ড সম্পূর্ণ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে আমরা বিভিন্ন ওয়ার্ডে বসবাস করছি। আমাদের ঠিকানা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় নাগরিক সুবিধা পাচ্ছি না। নাগরিক সুবিধার্থে ওয়ার্ডগুলো পুর্নবিন্যাস করা প্রয়োজন।

৭নং ওয়ার্ডের নুর মোহাম্মদ, আবদুল জলিল ও মোস্তফা বলেন, আমাদের শত শত একর জমি নদীতে ভেঙে গেছে। আমরা মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমাদের স্থায়ী ঠিকানা পেতে ওয়ার্ড বিভাজন করা জরুরী।

রুহুল আমিন পাটারী বলেন, আমি ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমার সব জমি ও বসতভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।আমি সরকারের সাহায্য চাই।

ইউপি সদস্য শাহজাহান, আবুতাহের মজনু, হাফেজ আবদুর রাজ্জাক, মাহবুবুর রহমান স্বপন ও মোসলেহ উদ্দিন জানান, নদীর বুকে আমাদের নির্বাচনী এলাকার দুইটি ওয়ার্ড সম্পুর্ণ ভেঙ্গে গেছে এবং তিনটি ওয়ার্ডের দুই তৃতীয়াংশ ভেঙ্গে গেছে। এসব এলাকার বাসিন্দারা অন্যত্রে বসবাস করছে। জমি ও ভিটে হারিয়ে তারা খুব কষ্টে জীবন যাপন করছে এবং ছাড়া সুযোগ সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে লিখিত ভাবে জানানে হয়েছে।

পাটারীরহাটের মাছঘাট সেক্রেটারী জামাল জানান, ইউনিয়নটি প্রায় ৮ কিঃ মিঃ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। কয়েকবার মাছঘাট পরিবর্তন করতে হচ্ছে এতে ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

৬নং পাটারীরহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এডভোকেট একেএম নুরুল আমিন রাজু বলেন, ২২বর্গ কিঃ মিঃ এলাকা জুড়ে পাটারিরহাট ইউনিয়নটি অবস্থিত। মেঘনার অব্যাহত ভাঙ্গনে ইউনিয়নের ১নং ও ৯নং ওয়ার্ড সম্পূর্ণ ভেঙ্গে গেছে। ২,৭,ও ৮নং ওয়ার্ডের আংশিক ভেঙ্গে প্রায় ৮কিঃ মিঃ নদীর গর্ভে বিলীন হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ বিভিন্ন স্থানে ভাসমান অবস্থায় বসবাস করছে। জনগণের দাবী অনুযায়ী ইউনিয়নটি বিভাজন করলে জনগণ নাগরিক সুবিধা পাবে বলে আমি মনে করি।


এই বিভাগের আরো খবর