শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:০৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

লক্ষ্মীপুর লাহারকান্দি জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় আহত-৩

বিশেষ প্রতিনিধি / ৩০৮ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০

লক্ষ্মীপুর লাহারকান্দি জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলায় আহত-৩

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার  লাহারকান্দি ইউনিয়নে দীর্ঘদিন জায়গা-জমি নিয়ে সোহেল ও মহিন উদ্দিন গংদের মধ্যে  বিরোধ চলছে। এতে দু’পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন সময় হামলার ঘটনা ঘটে। এ ব্যপারে থানায় মামলা হয়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লাহারকান্দি ইউনিয়নে চাঁদখালী গ্রামে জমির বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এতে আবদুল হকের ছেলে সোহেল গংসহ ৩ জন আহত হয়। আহতরা হলেন, আশরাফ আলীর ছেলে  মফিজ উল্যাহ, আবদুল হকের ছেলে সোহেল ও কন্যা মাহিনুর।  হামলায় গুরুতর জখমপ্রাপ্ত  মফিজ উল্যা’র মাথায় ১২ টি সেলাই করা হয়।

এ ব্যাপারে সোহেলের চাচা ইব্রাহীম বাদী হয়ে লক্ষ্মীপুর  থানায় মামলা করেন। থানা মামলানং ১০, জি আর নং ৫১৪। মামলার আসামীরা হলেন, লাহারকান্দি ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামের পাঁচু হালাদার বাড়ীর মহিউদ্দিনের ছেলে ফরহাদ, আবদুল গোফরানের ছেলে মহিউদ্দিন ও নিজাম উদ্দিন, মহিউদ্দিনের স্ত্রী ছালেহা ইয়াছমিন, কন্যা তানজু ও মুন্নি আক্তার।

মামলার এজহার এবং পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জেলা সদরের লাহারকান্দি ৩নং মৌজার ৩নং সীটের ১০৪৭ দাগের ২৪শতাংশের অন্দরে  ১৪.২৫ শতাংশ জমির মালিক দাবী করেন সোহেল গংরা যাহা আবদুল হক গংদের নামে উক্ত জমি রেকর্ড হয়। আসামীরা কতেক ভূমি জোরপূর্বক  তাদের দখলে রাখে। এ সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকলেও আসামীরা বিভিন্ন সময় জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে সোহেল গংদের ওপর হামলা চালায়। এর আগে কয়েক দফা হামলা করেছে বলে জানান তারা।

আরো জানাযায়, আসামীরা স্থানীয় শালিশ দরবার তোয়াক্কা করেনা, আমিন দ্বারা জমি পরিমাপ করে বহুবার উকিল শালিশ বৈঠক বসে আসামীরা জমি দেনা হলে  তারা বিভিন্ন সময়  শালিশী স্থান ত্যাগ করে,  জমির দখল ছাড়ছে না তারা।  এছাড়া মিমাংসার জন্য স্থানীয় যারা মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করে আসামীদের দ্বারা তারাও আক্রান্ত হয়। ইতোমধ্যে বিরোধ মিমাংসা করতে গিয়ে সমাজে সর্বজন গ্রহণযোগ্য দেলোয়ার হোসেন খাঁন নামীয় এ ব্যক্তি তাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে।

মিনোয়ারা বেগম বলেন, আমার স্বামী মফিজ চিৎকার শুনে ঘটনাস্থলে গেলে আসামী পক্ষের সন্ত্রাসীরা দা,চেনি, লোহার রড, লাঠি- সোটা নিয়ে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। একজন এসে আমার স্বামীর মাথার মধ্যখানে দা দিয়ে কোপ মারে, আমার স্বামী মাটিতে পড়ে যায়। আমরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত  লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করাই। এ ব্যাপারে তিনি ন্যায় বিচার দাবী করেন।

মোঃ ইব্রাহিম বলেন, যতবার শালিশী বৈঠকে বসা হয়, ততবার আসামীরা জমি দেনা হয়। কিন্তু তারা জমির দখল ছেড়ে না দিয়ে  বহুবার আমাদের উপর তারসহ  ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে হামলা করে। তিনি ন্যায় বিচার দাবি করেন।

হামলার বিষয়ে মহিউদ্দিনের মেয়ে মুন্নি আক্তারের নিকট জানতে চাইলে তিনি হামলার ঘটনা অস্বীকার করেন। জমির বিরোধের বিষয়ে তার বাবা অবগত আছেন  বলে তিনি এ বিষয়ে কিছু না বলে এড়িয়ে যান।


এই বিভাগের আরো খবর