শিরোনাম:
স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উচিৎ? বি’ব্র’তক’র সা’দাস্রা’ব প্র’তিরো’ধে ক’রণী’য়। প্র’ত্যে’ক মে’য়ে’র জেনে রা’খা প্র’য়োজ’ন লক্ষ্মীপুরে আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদ নিয়ে টানাটানি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বিয়ে, যা বললেন পরীমনি ভায়াগ্রা নয়, পেঁয়াজ দিয়েই বাড়ান ৩গুণ সেক্স! এবং সহবাসে সঙ্গীকে দিন পরিপূর্ণ তৃপ্তি! শা’রী’রিক মি’ল’নে চ’র’ম আন’ন্দ পে’তে ট্রা’ই ক’রু’ন এই ভ’ঙ্গি’মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা ও’ষুধ-ক’নডম ছাড়াই কিভাবে জ’ন্ম নি’য়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবা’হিত দম্পতিরা জেনে রাখু’ন গাছের পাতা বিক্রি করে বছরে আয় ১২ লাখ টাকা জেগে উঠেছে সমুদ্রগর্ভের ‘ঘুমন্ত দানব’
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১২:১৫ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হনাদার মুক্ত দিবস

প্রতিবেদক: / ৪৭৩ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হনাদার মুক্ত দিবস

চলমান বাংলা ডেক্সঃ

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত হয়। এর আগে মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় পাকিস্তানি সেনা এবং তাদের দোসর আলবদর ও রাজাকাররা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও বহু নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেয়।

লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধারা জেলার বিভিন্ন স্থানে ২২ বার মুখোমুখি যুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালান। এ জেলায় ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ শতাধিক মানুষ শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধারা প্রথমে লক্ষ্মীপুর শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রহমতখালী খালের ওপর নির্মিত মাদাম ব্রিজটি উড়িয়ে দেন। আজও স্মৃতি হিসেবে ব্রিজের লোহার পিলার দাঁড়িয়ে আছে।

এ জেলায় উল্লেখযোগ্য রণক্ষেত্রগুলো হলো কাজির দিঘীর পাড়, মিরগঞ্জ, চৌধুরী বাজার, দালাল বাজার, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, চর আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও রামগঞ্জের গোডাউন এলাকা।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৩ জন, রামগতিতে দুই জন, কমলনগর এক জন, রায়পুরে সাত জন ও রামগঞ্জে দুই জন রয়েছেন।

১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর রফিকুল হায়দার চৌধুরী, সুবেদার আব্দুল মতিন, আ ও ম শফিক উল্যা, হামদে রাব্বীর নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে। তুমুল লড়াই হয়। তবে হার মানতে হয় পাক হানাদার বাহিনীকে।

অবশেষে ৪ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর আলবদর ও রাজাকাররা।
সেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে সাধারণ মানুষ দলে দলে ছুটে আসে। এ সময় জয় বাংলা স্লোগানে শহরে উৎসবমুখ পরিবেশ বিরাজ করে।
প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হানাদার মুক্তির এই দিনটি পালন করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর