শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হনাদার মুক্ত দিবস

প্রতিবেদক: / ৩৭৯ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০

৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হনাদার মুক্ত দিবস

চলমান বাংলা ডেক্সঃ

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত হয়। এর আগে মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় পাকিস্তানি সেনা এবং তাদের দোসর আলবদর ও রাজাকাররা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও বহু নারীর সম্ভ্রম কেড়ে নেয়।

লক্ষ্মীপুরকে হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধারা জেলার বিভিন্ন স্থানে ২২ বার মুখোমুখি যুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালান। এ জেলায় ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ শতাধিক মানুষ শহীদ হন।

মুক্তিযোদ্ধারা প্রথমে লক্ষ্মীপুর শহরের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া রহমতখালী খালের ওপর নির্মিত মাদাম ব্রিজটি উড়িয়ে দেন। আজও স্মৃতি হিসেবে ব্রিজের লোহার পিলার দাঁড়িয়ে আছে।

এ জেলায় উল্লেখযোগ্য রণক্ষেত্রগুলো হলো কাজির দিঘীর পাড়, মিরগঞ্জ, চৌধুরী বাজার, দালাল বাজার, রায়পুর আলীয়া মাদ্রাসা, ডাকাতিয়া নদীর ঘাট, চর আলেকজান্ডার সিড গোডাউন, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও রামগঞ্জের গোডাউন এলাকা।

শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৩ জন, রামগতিতে দুই জন, কমলনগর এক জন, রায়পুরে সাত জন ও রামগঞ্জে দুই জন রয়েছেন।

১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর রফিকুল হায়দার চৌধুরী, সুবেদার আব্দুল মতিন, আ ও ম শফিক উল্যা, হামদে রাব্বীর নেতৃত্বে দেড় শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেন হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে। তুমুল লড়াই হয়। তবে হার মানতে হয় পাক হানাদার বাহিনীকে।

অবশেষে ৪ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করে হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসর আলবদর ও রাজাকাররা।
সেদিন মুক্তিযোদ্ধাদের স্বাগত জানাতে সাধারণ মানুষ দলে দলে ছুটে আসে। এ সময় জয় বাংলা স্লোগানে শহরে উৎসবমুখ পরিবেশ বিরাজ করে।
প্রতিবছর নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে হানাদার মুক্তির এই দিনটি পালন করা হয়।


এই বিভাগের আরো খবর