শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

ডিম খেতে নেই মানা

প্রতিবেদক: / ২৯৫ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০

ডিম খেতে নেই মানা

করোনাকালে মানুষের মনে সবচেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে তা হচ্ছে ‘রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা’। যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি, তারা এ অদৃশ্য শত্রুর আক্রমণেও টিকে যাচ্ছেন আর যাদের কম তাদের বেশ ভোগান্তি হচ্ছে, অনেকে মারাও যাচ্ছেন। তুলনামূলক কম বয়স্ক, যারা নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করেন এবং সুষম খাদ্য খান তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। অন্যদিকে খুব ছোট বাচ্চা, বয়স্ক ব্যক্তি, যারা অন্যান্য রোগে আক্রান্ত থাকেন তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়।

শরীরে রোগ প্রতিরোধী উপাদান তৈরির জন্য প্রয়োজন প্রোটিন। আবার অনেকে করোনার সময় রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন-ডি, ক্যালসিয়ামের প্রতি খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন এবং ওষুধ খাচ্ছেন। কিন্তু আশ্চর্যজনক হলেও সত্য, নিয়মিত একটি ডিম কিন্তু আপনার এসব চিন্তার সমাধান হতে পারে, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে রাখতে পারে কার্যকর ভূমিকা। তবে সবাই ডিম খাবেন কি খাবেন না তা নিয়ে জনমনে দ্বিধার কমতি নেই। মানুষের মনের এ সংশয় কাটাতে প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয় ‘বিশ্ব ডিম দিবস’। ভিয়েনায় ১৯৯৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল এগ কমিশন (আইইসি) কর্তৃক অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ সম্মেলনে প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ, স্বাস্থ্যবান ও মেধাবী জাতি গঠন, সর্বোপরি ডিমের গুণাগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর এ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রতিবারই একটি করে প্রতিপাদ্য বিষয় থাকে।

যেমন ‘সুস্থ সবল জাতি চাই, সব বয়সেই ডিম খাই’, ‘সুস্থ যদি থাকতে চান, প্রতিদিন ডিম খান’, ‘জীবনের জন্য আমিষ’ ইত্যাদি। এবারের প্রতিপদ্য ‘প্রতিদিন ডিম খাই, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াই’। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশেই ২৪ বছর ধরেই মানুষের মাঝে ডিমের গুণাগুণ, ডিম উৎপাদনের সমস্যা ও সম্ভাবনা এবং দেহের পুষ্টি চাহিদা পূরণে প্রতিদিন ডিম খাওয়া উচিত- এ বিষয়ে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রতি বছর বিশ্ব ডিম দিবস পালিত হয়ে আসছে।

একজন মানুষের সুস্থভাবে জীবনযাপনের জন্য বছরে কমপক্ষে ১০৪টি ডিম খাওয়া উচিত। কিন্তু বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে, বাংলাদেশের মানুষের বছরে গড় ডিম খাওয়ার পরিমাণ মাত্র ৪৫ থেকে ৬০টি। কিছু কিছু ভুল ধারণার কারণে আমাদের দেশের মানুষের ডিম খাওয়ার প্রবণতাও সন্তোষজনক নয়। আবার ডিম উৎপাদনে অনেকটা ঘাটতিও রয়েছে নিঃসন্দেহে।

ডিম খাওয়া সম্পর্কে ভুল ধারণা : প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বিশেষ করে সকালের নাশতায় সবাই ডিম খেতে পছন্দ করেন। সময়স্বল্পতার জন্য ভাতের সঙ্গে তরকারির বিকল্প হিসেবে ডিম ভাজি বা ভর্তা করেও অনেককে খেতে হয়। তবে অনেকের মধ্যেই ডিম নিয়ে এক ধরনের ভুল ধারণা আছে তা হলো- সব বয়সে ডিম খাওয়া যায় না, বিশেষ করে বয়স্করা এবং যারা বিভিন্ন রোগে ভোগেন, তারাও ডিম খেতে চান না অথবা মনে করেন দিনে একটির বেশি ডিম খাওয়া যায় না।

আবার অনেক স্বাস্থ্যসচেতন মানুষ মনে করেন ডিমের সাদা অংশ খাওয়া ভালো তবে কুসুম খাওয়া উচিত নয়। কিন্তু ডিমের কুসুমটাও যে শরীরের পক্ষে কততা উপকারী, তা অনেকেই জানেন না। আসল সত্য হলো, আন্তর্জাতিক পুষ্টিবিজ্ঞানী ও ডাক্তারদের মতে, ডিমের সাদা অংশের চেয়ে কুসুমে ক্যালরি বেশি। যে কোনো বয়সেই ডিম খাওয়া যায়, এমনকি দিনে কয়েকটি ডিম খেতেও বাধা নেই। সুস্বাস্থ্য এবং সুস্থ জাতি গঠনে প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য ডিম হতে পারে খাদ্যের অন্যতম উৎস। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিন অন্তত একটি করে ডিম খাওয়া উচিত, যা প্রোটিনের চাহিদা মেটাবে।

প্রশ্নটা হলো, প্রতিদিন বা নিয়মিত ডিম খাওয়া যাবে কি যাবে না? এ নিয়ে ডাক্তার, রোগী এমনকি সুস্থ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তি বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল এবং এখনো আছে। বিশেষ করে যাদের বয়স একটু বেশি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন এমন রোগী অথবা যাদের রক্তে কলেস্টেরল বা অন্যান্য চর্বির পরিমাণ বেশি, তাদের ডিম খেতে নিষেধ বা সম্পূর্ণ বর্জন করতে বলা হয়। অনেকেই এমনকি কিছু কিছু চিকিৎসক আবার ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে শুধু সাদা অংশটুকুই খেতে বলেন। এর কারণ তাদের ধারণা একটাই, তা হলো ডিম খেলে রক্তের কলেস্টেরল বাড়ে, উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। আসলে এত দিনের এ ধারণাটা মোটেই সত্য নয়। ডিম খেলে রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা ততটা বৃদ্ধি পায় না। একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত কলেস্টেরল গ্রহণ করতে পারেন। আর একটি ডিমে রয়েছে মাত্র ২০০ মিলিগ্রাম কলেস্টেরল।

তাই বিশেষজ্ঞরা এমনকি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এখন আর তাদের খাদ্যের গাইডলাইনে ডিম খাওয়াকে নিরুৎসাহিত করছেন না। যে কোনো ব্যক্তি ডিমের সাদা অংশ খেলে কোনো সমস্যা তো হবেই না, এমনকি কুসুমসহ সম্পূর্ণ ডিম খেলেও উচ্চ রক্তচাপ, কলেস্টেরল ও হৃদরোগের ঝুঁকির আশঙ্কা নেই বললেই চলে। আরেকটি বড় গবেষণায় প্রতীয়মাণ হয়েছে, প্রতি সপ্তাহে ৫-৬টি ডিম খেলে হৃদরোগ, স্ট্রোক বা হার্টের অন্যান্য ধরনের জটিলতা তৈরি হবে এমন কোনো ঝুঁকি নেই। ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে বলা হয়, দিনে একটি ডিম হার্টের জন্য ক্ষতিকর নয়। সকালের নাশতায় বরং একটি ডিম কলেস্টেরল প্রোফাইলের ওপর তেমন প্রভাব ফেলে না, যতটা প্রভাব ফেলে আপনার সকালের নাশতায় মিষ্টি বা চর্বি জাতীয় খাবার খেলে।

ডিমের পুষ্টিগুণ : ডিমের মধ্যে আছে পানি, প্রোটিন, চর্বি, ভিটামিন-এ, ই, বি-৬, বি-১২, ফলেট, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম, আয়রন, খনিজ পদার্থ যেমন জিঙ্ক, ম্যাঙ্গানিজ, সেলেনিয়াম ইত্যাদি। বলতে গেলে ডিমে সব ভিটামিনই কমবেশি থাকে, তবে ভিটামিন-সি কিন্তু নেই। শরীরের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোলিন, যা কেবল ডিমেই বেশি পাওয়া যায়, অন্যান্য সহজলভ্য খাদ্যে ততটা পাওয়া যায় না। খাদ্যের এ উপাদানগুলো ডিম খেলে সহজেই পাওয়া যায় এবং দামেও সাশ্রয়ী। ডিমের মধ্যে যে প্রোটিন, ভিটামিন বি-১২, রাইবোফ্ল্যাভিন, ফলেট ও ভিটামিন-ডি রয়েছে, তা কলেস্টেরল বৃদ্ধির ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে দেয়। এমনকি অনেকদিন ফ্রিজে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত মাংস খাওয়ার চেয়ে ডিম ভালো বিকল্প খাদ্য হতে পারে। এ ছাড়া আমাদের আমিষের মূল উৎস ডিম, মাছ, দুধ, ডাল এবং যে কোনো মাংস যেমন হাঁস, মুরগি, গরু, ভেড়া, মহিষ, খাসি ইত্যাদি। তুলনা করলে দেখা যায়, মাংস এমনকি দুধের দামও বেশি, সে হিসেবে ডিম বেশ সস্তা, প্রোটিনের অন্যতম উৎস। ডিমে সুলভ মূল্যে উচ্চমাত্রার প্রোটিন পাওয়া যায়।

হাঁস না মুরগি? লালচে না সাদা? : অনেকে হাঁস বা মুরগির ডিম এমনকি সাদা বা লালচে ডিম খাওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন।

আসলে সব ধরনের ডিমের পুষ্টিগুণ একই রকম। তবে হাঁসের ডিমে প্রোটিন ও চর্বির মাত্রা সামান্য বেশি, খেতে কোনো মানা নেই। কেউ কেউ আবার কাঁচা ডিম খেতে পছন্দ করেন, এমনকি কাঁচা ডিমের পুষ্টিগুণ বেশি বলে মনে করেন, এ ধারণাটাও সত্য নয়। বরং কাঁচা ডিম খেলে সালমোনেলা জাতীয় ব্যাকটেরিয়ায় আক্রান্তের ঝুঁকি থাকে। আবার কোয়েলের ডিম খাওয়া নিয়েও অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভোগেন, যা আকারে ছোট। পাঁচটি কোয়েলের ডিম একটি মুরগির ডিমের সমান। পুষ্টিগুণ কিন্তু একই রকম। আবার এ কথাও সত্য, ডিম যেভাবেই রান্না হোক, এর পুষ্টিগুণ প্রায় অবিকৃত থাকে, এমনকি পেটে সহজেই হজম ও সম্পূর্ণ শোষিত হয়।

দিনে কটি ডিম খাওয়া যাবে? : তরুণরা এবং যারা বেশি কায়িক পরিশ্রম করেন, তারা নিয়মিত ডিম খেতে পারেন, এমনকি দিনে দু-তিনটি ডিম খাওয়াও সম্পূর্ণ নিরাপদ। বয়স্করাও সপ্তাহে পাঁচ-ছয়টি ডিম খেতে পারবেন। আর যারা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দুর্বল হয়ে পড়ছেন, তাদের সুস্বাস্থ্যের জন্যও নিয়মিত ডিম খাওয়া উচিত। তবে কিডনি অকেজো বা রেনাল ফেইল্যুরের রোগী ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ডিম খাবেন, কারণ কিডনি ফেইল্যুরে প্রোটিন কম খাওয়া উচিত। কারও কারও বেলায় ডিম খেলে অ্যালার্জি জাতীয় সমস্যা হতে পারে, সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ডিম নিয়ে কিছু টিপস : ডিম অবশ্যই একটি প্রাকৃতিক পুষ্টিকর খাদ্য, যার মধ্যে খাদ্যের সব উপাদানই বিদ্যমান। সব বয়সের মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে ডিম অত্যন্ত কার্যকর। শিশুর দৈহিক বৃদ্ধি, হাড় গড়নে ও মেধার বিকাশে ডিম খুবই কার্যকর।

মহিলাদের শারীরিক চাহিদা পূরণ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে ডিম অত্যন্ত জরুরি। অন্ত্রের ক্যান্সার প্রতিরোধেও ডিম উপকারী। ডিমের কুসুমে ‘কোলিন’ থাকে, যা মস্তিষ্কের বিকাশ ত্বরান্বিত করে, এমনকি মনোরোগ এবং আলঝেইমারের মতো রোগ কমাতে সহায়তা করে।

ডিম গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য প্রধানতম প্রোটিন জোগায়। ডিমের প্রোটিন মানুষের মস্তিষ্ক ও মাংসপেশির গঠন এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ডিমে কলেস্টেরল আছে বটে, কিন্তু তা রক্তের কলেস্টেরল বৃদ্ধি করে না। বরং রক্তের ভালো কলেস্টেরল (এইচডিএল) বৃদ্ধি করে। শুধু তাই নয়, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডসমৃদ্ধ ডিম রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড অত্যন্ত কার্যকরভাবে কমায়।

প্রতিদিন কুসুমসহ একটি করে ডিম খেলে হৃদযন্ত্র ও শরীরের রক্ত সঞ্চালনে কোনো ঝুঁকি নেই বরং তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ডিমের কুসুম রক্তকণিকাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা থেকে রক্ষা করে, লোহিত কণিকার সংখ্যা ও মস্তিষ্কে অক্সিজেন বৃদ্ধি করে এবং ব্রেইনের স্ট্রোক কমাতে সহায়তা করে।

ডিমে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যথেষ্ট পরিমাণে থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কার্যকারিতায় সহায়ক।

ডিমে আছে ভিটামিন-‘এ’, যা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে, অন্ধত্ব দূরীকরণেও সহায়ক। ডিমের কেরোটিনয়েড, ল্যুটেন, জিয়াজেনথিন বয়সকালে চোখের মেকুলার ডিজেনারেশন হওয়ার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। এটি চোখের ছানি কমাতেও সহায়তা করে।

ডিমের কুসুমে প্রচুর ভিটামিন ‘কে’ আছে। এটি রক্তের বিভিন্ন কাজে সহায়ক, হাড় শক্ত ও মজবুত করে এবং প্রজনন-অক্ষমতা দূর করতে সহায়তা করে।

সকালের নাশতায় একটি সেদ্ধ ডিম খেলে পেটটা অনেকক্ষণ ভর্তি থাকে, খিদে কম পায় ফলে খাদ্য গ্রহণ নিয়ন্ত্রিত হয়। অনেকের ধারণা, কুসুম খেলে মোটা হয়ে যাবে, ব্যাপারটা আসলে তা নয়। ডিমে রয়েছে প্রচুর শক্তি যা রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কিছুটা হলেও কার্যকর।

পরিশেষে বলতে চাই- ডিম নিয়ে একদিকে যেমন রসালো কথার শেষ নেই, কথায় কথায় পরীক্ষায় খারাপ হলেই বলে ‘ডিম পাবে’, নেতিবাচক কোনো কথা হলেই বলা হয় ‘ঘোড়ার ডিম’, রাস্তায়, নাটকে বা অনুষ্ঠানে ক্ষুব্ধ হলেই জনতা ছুড়ে মারে ‘পচা ডিম’। তেমনি সুস্বাস্থ্য ও খাদ্যের জরুরি উপাদান এবং প্রোটিন গ্রহণের জন্য নিয়মিত ডিম খাওয়া নিয়ে কোনো বিতর্ক বা বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। এমনকি সম্প্রতি স্কুলগুলোতে মিডডে মিলের মান নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা, সে খাদ্য তালিকায়ও কিন্তু ডিম অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। আমাদের মনে রাখতে হবে, মেধাবী, সুস্থ-সবল, উন্নত জাতি গঠনে স্বল্প ব্যয়ে পূর্ণাঙ্গ পুষ্টির উৎস হিসেবে ডিমের কোনো বিকল্প নেই।


এই বিভাগের আরো খবর