শিরোনাম:
রোহিঙ্গা নিপীড়নকারীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রায়পুরের ৬নং কেরোয়া ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাত হোসেন লিটন কলাপাড়ায় ১ জেলেকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ নৌ- পুলিশের বিরুদ্ধে” প্রাথমিকে নিয়োগ ও বেতন নিয়ে সুখবর দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে রোডম্যাপ তৈরির প্রস্তাব কুয়েতের লক্ষ্মীপুর যুবলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত-১২ লক্ষ্মীপুর দলিল জালিয়াতির মামলায় ৩ আসামী কারাগারে লক্ষ্মীপুরে চার সন্তানকে ঘরে রেখে আগুন : মায়ের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা নতুন ফ্ল্যাটে জীবনকে ভালোবাসছেন পরীমনি প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার প্রস্তুতি: গণিত মডেল টেস্ট ১
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

জাল সনদে ৭ বছর চাকুরি

রায়পুর প্রতিনিধি / ২৩২ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

 

রায়পুরে জাল সনদে দীর্ঘ ৭ বছর চাকরির করার পর অবশেষে ধরা পড়েছেন মো. মিজানুর রহমান নামের এক প্রতারক। মিজানুর রহমান উপজেলার কেরোয়া ইউনিয়নের মধ্য কেরোয়া গ্রামের নজির আহাম্মদের ছেলে। তিনি মধ্য কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরি হিসেবে দীর্ঘ ৭ বছর নিয়োজিত। ইতোপূর্বে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে জানিয়ে দিয়েছেন তার সনদটি ছিল জাল।

এদিকে জাল সনদে চাকরির করার অপরাধে ওই নৈশ প্রহরির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

সূত্রে জানা যায়, নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমান ২০১২ সালের মার্চ মাসে ৮ হাজার টাকার বেতন-স্কেলে মধ্য কেরোয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুক্তিভিত্তিক যোগদান করেন। যোগদানের পূর্বে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য যখন আবেদন করেন তখন সেখানে জাল নিবন্ধন সনদ জমা দেন। অথচ কখনই ৮ম শ্রেণী পাশ করেননি মিজানুর রহমান।

এদিকে দীর্ঘ সময় চাকরিরত থাকার পর সম্প্রতি তার সনদ নিয়ে প্রশ্ন উঠে। তার স্বজন ও গ্রামবাসী মিজানুর রহমানের জাল সনদ বলে সন্দেহ করেন। অবশেষে উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে তার সনদ যাচাই করতে পাঠানো হয়। সেখানে ধরা পড়ে তার ওই সনদপত্রটি জাল।

স্কুল ম্যানেজিং কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আর এর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক-সফিক আহাম্মেদ জানান, মিজানুর রহমানের জাল সনদের বিষয়ে কিছুই জানি না। সনদ নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠেছে, সেটি যাচাই বাছাই করে দেখবো।

এ ব্যাপারে দপ্তরী কাম নৈশ প্রহরি মিজানুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ঘটনাটি মিথ্যা বলে দাবি করেন। কে অভিযোগ করেছেন তার নাম জানতে চান তিনি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন জানান, ২০১২ সালের মার্চ মাসে ৮ হাজার টাকার বেতনে নিয়োগ পান দপ্তরী কাম-নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমান। তাকে তখন নিয়োগ দিয়েছিলেন সাবেক নিয়োগ কমিটি। জন্ম নিবন্ধন ও শিক্ষা সনদ জাল এবং জাতীয় পরিচয়পত্র জালের বিষয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও শিক্ষা কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রায়পুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে এম মোস্তাক আহাম্মদ বলেন, দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী মিজানুর রহমানের শিক্ষাগত সনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্রে বয়স জাল সনদের বিষয়ে কিছুই জানি না।


এই বিভাগের আরো খবর