শিরোনাম:
লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০২২ পরীমণির বিয়ের মেনুতে কী কী ছিল স্বামী যদি সহবাসে অক্ষম হয়, তাহলে স্ত্রীর কী করা উচিৎ? বি’ব্র’তক’র সা’দাস্রা’ব প্র’তিরো’ধে ক’রণী’য়। প্র’ত্যে’ক মে’য়ে’র জেনে রা’খা প্র’য়োজ’ন লক্ষ্মীপুরে আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পদ নিয়ে টানাটানি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে বিয়ে, যা বললেন পরীমনি ভায়াগ্রা নয়, পেঁয়াজ দিয়েই বাড়ান ৩গুণ সেক্স! এবং সহবাসে সঙ্গীকে দিন পরিপূর্ণ তৃপ্তি! শা’রী’রিক মি’ল’নে চ’র’ম আন’ন্দ পে’তে ট্রা’ই ক’রু’ন এই ভ’ঙ্গি’মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা ও’ষুধ-ক’নডম ছাড়াই কিভাবে জ’ন্ম নি’য়ন্ত্রণ করা সম্ভব ! বিবা’হিত দম্পতিরা জেনে রাখু’ন
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ১১:১৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

রাজশাহীতে আট বাড়ির জন্য আটকে আছে ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ

রাজশাহী প্রতিনিধি / ৫১৯ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০

রাজশাহীতে আট বাড়ির জন্য আটকে আছে ৩ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ

রাজশাহী মহানগরীর উপশহর এলাকার আটটি বাড়িতে আটকে আছে প্রায় তিন কোটি টাকার সড়ক সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ। রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) অর্থে পরিচালিত প্রকল্পের মেয়াদ আছে আর মাত্র দুই মাস। তিনবার মাইক প্রচার করলেও রহস্যজনকভাবে ওই বাড়িগুলো তাদের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। এদিকে ‘রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার উন্নয়ন’ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হবে আগামী অক্টোবরে। এমন অবস্থায় এলাকাবাসীর আশঙ্কা আদৌ কী এ উন্নয়ন কাজ হবে!

সূত্র জানায়, নগরীর উপশহর এক নম্বর সেক্টরের (১৪ নং ওয়ার্ড) অনেকেই রাস্তা সংলগ্ন সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা গড়ে তুলেন। রাসিক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ কাজ শুরুর আগেই ১১টি রাস্তার দুই পাশের অবৈধ দখলদারদের জমি ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দেয়। মাপজোখ করে লাল চিহ্ন দিয়ে সীমানাও নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এরপর ১০টি রাস্তার পাশের ১৩০টি বাড়ির বাসিন্দারা তাদের স্থাপনা ভেঙে নেন। সেসব এলাকায় দ্রুতই উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলছে।

শুধু বি-৫৯০ থেকে বি-৫৯৭ নম্বর পর্যন্ত আটটি বাড়ির মালিক রাসিকের নির্দেশনা মানেনি। তারা স্থাপনা সরিয়ে না নেয়ায় শুরু হয়নি কাজ। স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল আজিজ বলেন, মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তারা পাশে থাকতে চান। তাই ১৩০টি বাড়ির প্রাচীরসহ অন্যান্য স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন। কিন্তু আটটি বাড়ি এখনও কিছুই সরায়নি। তাদেরও সরিয়ে নেয়া উচিত।

জানা গেছে, বি-৫৯০ নম্বর বাড়িটি রাসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী মোকাম্মেল আলীর। পৈতৃক সূত্রে তিনি বাড়ির অংশ পেয়েছেন। বিএনপিপন্থি ওই প্রকৌশলী বাড়ির সামনের সরকারি জায়গা দখলে নিয়ে চারতলা ভিতসহ দুটি দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন। তবে রাসিকের প্রকৌশলী মোকাম্মেল আলী বলেন, বাড়িটি আমার বাবার। ভাইয়েরা বাসায় বসবাস করেন। তাদের সঙ্গে কথা বলুন। তারা যদি সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ করে থাকে তাহলে তা অপসারণ করে নেন।:

বি-৫৯০ নম্বর বাড়ি রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) থেকে তিনতলার নকশা অনুমোদন করা। কিন্তু সেটি এখন চারতলা। অবৈধ ওই ভবন সম্প্রসারণের সময় এলাকাবাসী আরডিএতে অভিযোগ করেছিলেন। আরডিএ নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়, কিন্তু রাতের অন্ধকারে কাজ শেষ করা হয়েছে। বি-৫৯৭ নম্বর বাড়ির মালিক রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য দফতরের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবদুল মতিন খোকন। তিনি সরকারি জমিতে ঘর নির্মাণ করে মেস ভাড়া দিয়েছেন। রাসিকের ড্রেনের ওপর ঘর নির্মাণের বিষয়ে ডা. আবদুল মতিন খোকন কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

একই এলাকার বি-৫৯০/২ নম্বর প্লটের মালিক রফিকুল আলম অবশ্য বলেন, অবৈধ দখলদারদের থেকে রক্ষার জন্যই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়েছিল। রাস্তার প্রয়োজনে নিজ উদ্যোগে প্রাচীর ভেঙে দেবেন। এলাকাবাসী জানান, ওই ৮টি বাড়ির লাল দাগ চিহ্নিত অংশ থেকে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য বারবার মাইকিং করা হয়। অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নিলে রাসিক নিজেই অপসারণ করবে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার এবং রাসিকের উপসহকারী প্রকৌশলী মোকাম্মেল আলীর অনিচ্ছায় অপসারণের কাজ শুরুই হয়নি।

তবে কাউন্সিলর আনার অভিযোগ অষ¦ীকার করে বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ থেমে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। একটু বিলম্ব হচ্ছে মাত্র। রাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল বাশার বলেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম থেমে যায়নি। যে কোনো মূল্যে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই রাস্তা প্রশস্ত করা হবে।


এই বিভাগের আরো খবর