মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

গাইডলাইন অনুযায়ী খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রতিবেদক: / ৩৪৫ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

গাইডলাইন অনুযায়ী খুলবে প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সেই গাইডলাইন অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় চলবে। বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন।
আকরাম-আল-হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা একটা গাইডলাইন তৈরি করেছি। সেটা চূড়ান্তও হয়েছে। এখন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদন নেবো। প্রতিমন্ত্রী অনুমোদন দিলে তারপর আমরা এটা সার্কুলেট করবো। গাইডলাইনের মধ্যে অনেক কিছু বলা আছে। সেই গাইডলাইন অনুযায়ী স্কুল খুলবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অনুমোদন পেলেই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে দেওয়া হবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইউনিসেফ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বিশ্বব্যাংক, ইউনেস্কো, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিষেধক সেন্টার (সিডিসি) যেসব গাইডলাইন তৈরি করেছে, সেগুলোর সবকিছু সমন্বয় করে একটি গাইডলাইন তৈরি করা হচ্ছে করোনা পরবর্তীতে প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায়।
এক গ্রুপ একদিন স্কুলে আসবে—এমন কোনও নীতিমালা তৈরি হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সেটা তো বলা হচ্ছে না। সেটা স্কুল কর্তৃপক্ষ ঠিক করবে। আমরা প্রত্যেক স্কুলকে একটি রি-ওপেনিং প্ল্যান করার নির্দেশ দিয়েছি। প্রত্যেক প্রধান শিক্ষক তাদের নিজের মতো করে করবেন।
গত ১৭ মার্চ থেকে আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই সময় শিক্ষক কর্মকর্তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর এই নির্দেশনা জারি করে। এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ১৬টি নির্দেশনা জারি করেছিল। এছাড়া করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ থেকে ইতোমধ্যে সরকারি আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের করণীয় সম্পর্কে ১৩টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের ওই গাইডলাইন অনুযায়ী প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সকল শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীকে চলার নির্দেশনা দেয়।
এদিকে, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এখন পর্যন্ত সিলেবাসের ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এ অবস্থায় যে সময় রয়েছে, সেই সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করে প্রাথমিক সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয় বলে জানান মো. আকরাম-আল-হোসেন । তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করবে নিজ নিজ বিদ্যালয়। বিদ্যালয়ের অন্য শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে মূল্যায়নের ভিত্তিতে। বিদ্যালয়গুলোই ব্যবস্থা নেবে।’
মো. আকরাম-আল-হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে আরও বলেন, ‘এ বছর নিজ নিজ বিদ্যালয় পরীক্ষা নেবে, এই মর্মে প্রস্তাবনা পাঠিয়েছি। আজ সারাংশ পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে আমরা আদেশ জারি করবো। মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনা হলো এবার পিইসি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। একইসঙ্গে বৃত্তি পরীক্ষাও নেওয়া হবে না।’ সচিব জানান, বুধবারের অফিসিয়াল ডাকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সারাংশ পাঠানো হয়।


এই বিভাগের আরো খবর