বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ১০:০২ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

ফরিদপুরের সেই আশ্রয়ণ কেন্দ্রে বালু ফেলে জলাবদ্ধতা নিরসনের চেষ্টা

ফরিদপুর প্রতিনিধি / ৪৯ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১

ফরিদপুরের সেই আশ্রয়ণ কেন্দ্রে বালু ফেলে জলাবদ্ধতা নিরসনের চেষ্টা

অবশেষে ড্রেজিং করে বালু ফেলা হচ্ছে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর সরকারি আশ্রয়ণ কেন্দ্রে। বালু ফেলে ওই এলাকায় জমে যাওয়া পানি নিরসন এবং নিচু জায়গা ভরাটের চেষ্টা চলছে।

উপজেলার রুপাপাত ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সূর্য্যক চরপাড়া গ্রামে মুজিববর্ষ উপলক্ষে এসব ঘর তৈরির প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। কিন্তু নিচু জায়গায় ঘর তোলা নিয়ে শুরু থেকেই এলাকাবাসী ও জনপ্রতিনিধিরা আপত্তি তুলেছিলেন। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের আশঙ্কাই সত্যি হয়। সুবিধাভোগীরা বসবাস শুরুর আগেই বৃষ্টির পানিতে ঘরগুলোর চারপাশে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়।
গত ১৬ আগস্ট জাগোনিউজ২৪.কম-এ ‘পানিতে ভাসছে উপহারের ঘর, দেয়া হয়েছে পাটের জাগ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে জেলাজুড়ে চরম সমালোচনা শুরু হয়। পরদিন ১৭ আগস্ট জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এরপর থেকে ঘরের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনে পাশেই ড্রেজার বসিয়ে বালু কেটে নিচু জায়গা ভরাটের কাজ শুরু হয়।
এ ব্যাপারে রুপাপাত ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের (স্থানীয়) ইউপি সদস্য (মেম্বার) নাজমুল হোসেন নাজিম জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিবেদনটি যেদিন প্রকাশিত হয় ওইদিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। দুইদিন পরে এসে দেখলাম পাশেই ড্রেজার বসিয়ে বালু তুলে ভরাটের কাজ করা হচ্ছে।

রুপাপাত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজার রহমান মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এখানে এসেছিলেন। তারপর থেকে নেট দিয়ে বাউন্ডারি তৈরি করে ড্রেজার দিয়ে বালু কেটে জায়গাটি ভরাটের কাজ চলছে।

বর্তমান পরিস্থিতি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজের বিষয় জানতে চাইলে বোয়ালমারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারিয়া হক বলেন, ‘এ বিষয়ে ইউএনও স্যারের সঙ্গে কথা বলুন। স্যারের বক্তব্য নিন।’

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করা (সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) মো. হাসিব সরকার জায়গাটি ভরাটের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি বলেন, ‘১৬টি ঘরের মধ্যে শেষ থেকে ৩-৪টি ঘরের উঠানে পানি এসেছিল। প্রতিবেদনে ব্যবহৃত ছবিগুলো পাটের জাগ দেয়ার ছিল না। কৃষকরা পাটের পাতা ঝরার জন্য স্তুপ করেছিল কিন্তু পানি প্রবেশ করায় সেগুলো ভেসে ওঠে। পাটের জাগ ছিল পার্শ্ববর্তী জমির প্লটে।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলার আগের ইউএনও (বর্তমান এডিসি হিসেবে মাদারীপুরে কর্মরত) ঝোটন চন্দ্র জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমার জানামতে পুরো বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও পিআইসি কমিটি মনিটরিং করছে। আমি সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।’


এই বিভাগের আরো খবর