বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

পরীমনির পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী নায়ক

বিশেষ প্রতিনিধি / ৫৪ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১

 

পরীমনির পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী নায়ক

ঢালিউডের আলোচিত ও সমালোচিত নায়িকা পরীমনির জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত৷ আজ শুক্রবার আদালতে নেওয়া হয় তাকে। সেখানে তার জামিনের আবেদন করলে তা নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সেই নির্দেশ মোতাবেক পরীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কাশিমপুর কারাগারে।

এদিকে জানা গেল, পরীমনির পক্ষে মামলা লড়ছেন নায়িকার এক সহকর্মী। তিনি হলেন চিত্রনায়ক আমান রেজা৷পরীর মামলার প্রধান আইনজীবী মুজিবর রহমানে। তার দলের আট সদ্যসের একজন আমান রেজা।

আজ আদালত চত্বরে দেখা মিললো তার৷ সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জানান, সহকর্মীর পক্ষে মামলা লড়তে পারাটা তার কাছে স্পেশাল দায়িত্ব পালনের মতো। এর আগেও চলচ্চিত্রবিষয়ক কয়েকটি মামলায় তিনি লড়েছেন।

আমান বলেন, ‘আমি আশাবাদী ন্যায় বিচার পাবেন পরীমনি। তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী চলচ্চিত্রের। পরীমনির শুনানির প্রথম দিন ঢাকার বাইরে থাকায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারিনি। তবে আজ থাকতে পেরে ভালো লাগছে।’

আমান রেজা উকালতির পাশাপাশি নিয়মিতই অভিনয় করেন৷ বিজ্ঞাপন, নাটক ও সিনেমায় দেখা মেলে তার।

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মডেল মরিয়ম

রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় জামিন নামঞ্জুর করে মডেল মরিয়ম আক্তার মৌকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) দুই দিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ১০ আগস্ট চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মোহাম্মদপুর থানায় মাদক আইনে করা মামলায় তাকে আবারও পাঁচদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে সিআইডি। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান নোমান তার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এরও আগে তিনদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মোহাম্মদপুর থানায় মাদক আইনে করা মামলায় তাকে আবারও ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে সিআইডি। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন

১ আগস্ট রাত ১০টার দিকে প্রথমে রাজধানীর বারিধারায় মডেল পিয়াসার বাসায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। পরে রাত পৌনে ১২টার দিকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

এদিকে পিয়াসার দেয়া তথ্যে আরেক মডেল মরিয়ম আক্তার মৌয়ের রাজধানীর মোহাম্মদপুর বাবর রোডের বাসায় অভিযান চালায় গোয়েন্দা পুলিশ। তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। পরে রাত ১টার দিকে মৌকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকেও ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।

মৌকে আটকের পর ২ আগস্ট আদালতে হাজির করা হয়। সেদিন শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আশেক ইমামের আদালত তার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দুই মডেলকে আটকের পর বাবর রোডে মৌয়ের বাসার নিচে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা (উত্তর) শাখার যুগ্ম-কমিশনার হারুন-অর-রশীদ।

সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘তারা দুইজন একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে আমরা অনেক ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ পেয়েছি। সেসব ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে আজ তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। দুইজনের বাসায় বিদেশি মদ, ইয়াবা, সিসা পাওয়া যায়। মৌয়ের বাড়িতে মদের বারও ছিল।’

ডিবির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের পার্টির নামে বাসায় ডেকে আনতেন তারা। বাসায় আসলে তারা তাদের সঙ্গে আপত্তিকর ছবি তুলতেন এবং ভিডিও করে রাখতেন। পরবর্তীতে সেসব ভিডিও এবং ছবি ভিকটিমদের পরিবারকে পাঠানোর হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতেন এবং মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিতেন।’

 


এই বিভাগের আরো খবর