বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

পান চাষে দুইশো কোটি টাকা আয়; সফল লক্ষ্মীপুরে চাষীরা

এম জেড মাহমুদ / ৩৫৪ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০

 

লক্ষ্মীপুরে পান চাষ করে স্বাবলম্বি হচ্ছেন চাষিরা। খরচের তুলনায় লাভ বেশী হওয়ায় দিন দিন পান চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। অনুকুল আবহাওয়া ও সময়মতো বৃষ্টিপাতের ফলে এবার পানের উৎপাদনও হয়েছে ভাল। এতে বেজায় খুশী পান চাষীরা। এখানকার উৎপাদিত পান জেলাবাসীর চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে ঢাকা-চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এবার উৎপাদিত পান থেকে দুইশ কোটি টাকার আয় হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরের তথ্যমতে, লক্ষ্মীপুরে এবার ৫শ’ হেক্টর জমিতে পানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে পান পল্লী হিসাবে খ্যাত রায়পুর উপজেলার ক্যাম্পেরহাট ও হায়দরগঞ্জ এলাকায় পানের আবাদ হয়েছে প্রায় ৪শ’ হেক্টর জমিতে। খরচে তুলনায় লাভ বেশী হওয়ায়, দিন দিন এ অঞ্চলে পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষীরা। চলতি বছর অনুকুল আবহাওয়া ও সময়মতো বৃষ্টিপাতের ফলে এবার পানের উৎপাদন হয়েছে ভাল। এতে বেজায় খুশি পান চাষীরা।

চাষীরা জানান, পান চাষ একটি লাভজনক ফসল। পান চাষাবাদে খরচের তুলনায় লাভ প্রায় দ্বিগুন। এখানকার উৎপাদিত পান সু-স্বাদু হওয়ায় তা জেলাবাসীর চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে ঢাকা-চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এবার পানের বাজার ভাল থাকায় এখানে প্রতি বিড়া (৮০পিস) পান বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। এতে করে বেশ লাভবান হচ্ছে তারা।

চাষীদের অভিযোগ, অনেক সময় পানের বরজের পোকা-মাকড়ের আক্রমন দেখা দিলে কৃষি বিভাগের পরামর্শ পান না তারা। সহজ শর্তে সরকারী ঋন ও কৃষি বিভাগ বিভাগের সহযোগীতা প্রয়োজনীয় কীটনাশক ওষুধের সহায়তা পেলে পান চাষাবাদ আরো লাভ হতো। এদিকে খুচরা বিক্রেতারা জানালেন, পানের বাজার দর লাভ থাকায় চাষীদের পাশাপাশি লাভবান হচ্ছেন তারাও।

এবার উৎপাদিত পান থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা আয়ের কথা জানিয়ে, কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. বেলাল হোসেন খান জানান, পান চাষে কৃষকদের কারিগরি সহায়তা দেয়া হচ্ছে। তবে পান চাষীদের সরকারি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় আনা গেলে কৃষকরা পান চাষে আরো ভাল করতেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধা ও সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে লক্ষ্মীপুরে পান চাষে বিপ্লব ঘটবে। পাশাপশি এ অঞ্চলের পান বিদেশে রপ্তানী করে জাতীয় অর্থনীতিতেও অবদান রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 


এই বিভাগের আরো খবর