রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি:
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার...

আশুলিয়ায় লাইসেন্সবিহীন  ফার্মেসির ছড়াছড়ি

সাভার( আশুলিয়া) প্রতিনিধি / ৩৩৫ পড়া হয়েছে:
প্রকাশের সময়: বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০

আশুলিয়ায় লাইসেন্সবিহীন  ফার্মেসির ছড়াছড়ি

সাভার উপজেলার আশুলিয়া থানাসদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার,জনপদে গড়ে উঠেছে ওষুধেরলাইসেন্সবিহীন শত শত ফার্মেসি বাদোকান। রাস্তার পাশে কিংবা গলিরমোড়ে গড়ে উঠা এসব দোকানেরঅধিকাংশেই নেশা উদ্রেককারীউচ্চমাত্রার ওষুধ ও মাদক বিক্রি হয়বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশিচিকিত্সক না হয়েও চিকিত্সাদেওয়ার নামে প্রতারণার মাধ্যমে নিরীহলোকজনের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে এসবদোকানদার।

আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে কয়েক লাখশ্রমিকের বসবাস। কলকারখানায় কাজকরার ফলে তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকিও বেশি।ফলে তারা স্বাস্থ্যসচেতন না হওয়ায়সহজেই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েপড়েন। তাই অসুস্থ হলে অর্থের কথা চিন্তাকরে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের শরণাপন্ন নাহয়ে প্রথমেই তারা ছুটে যান স্থানীয় এসবওষুধের দোকানদার তথা হাতুড়েডাক্তারদের কাছে। আর সেই সুযোগেতাদের নানাভাবে প্রতারিত করেন এসবদোকানদার। ফলে রোগ সারাতে গিয়েজটিল অবস্থার শিকার হতে হয়ভুক্তভোগীদের।

আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর, ধামসোনা,শিমুলিয়া, পাথালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকাঘুরে দেখা গেছে, দোকানমালিকরানিজেরাই ডাক্তার সেজে রোগীদেরব্যবস্থাপত্র দেওয়া ছাড়া ওষুধও বিক্রিকরছেন। এছাড়া ওষুধের মূল্য সম্পর্কেসাধারণ মানুষের ধারণা না থাকায়অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের গুনতে হয়নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি।

অভিযোগ রয়েছে, একাধিক নামধারীপ্রতিষ্ঠান তাদের নিম্নমানের ওষুধবাজারজাত করার জন্য ফার্মেসিমালিকদের উচ্চহারে কমিশন দিয়ে থাকে।এসব ওষুধ সেবন করার কারণে জনস্বাস্থ্যহুমকির মুখে। আশুলিয়া সদরসহইউনিয়নের হাটবাজার কিংবা আবাসিকএলাকার ফার্মেসিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষরুটিনমাফিক কখনো পরিদর্শন করেছেএমন কোনো নজির নেই। ফলে অনিয়মইএখানে নিয়মে পরিণত হয়েছে। আবারগ্রামাঞ্চলের অশিক্ষা কুশিক্ষার সুযোগকেকাজে লাগিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা মেয়াদউত্তীর্ণ ও নিষিদ্ধ ওষুধ দেদারছে বিক্রিকরছেন। ফলে এসব ওষুধ সেবন করেরোগ মুক্তির বদলে রোগী আরো অসুস্থহয়ে পড়ছে। অন্যদিকে ডাক্তারেরব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঘুমের ওষুধ কিংবানেশাজাতীয় ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। ফলেএলাকার তরুণ যুবকরা অনায়াসেইনেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করছে নির্বিঘ্নে।সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবারপরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সায়েমুলহুদা বলেন, প্রচলিত নিয়মে একটিফার্মেসিতে ড্রাগ লাইসেন্স ও ওষুধ বিক্রিরজন্য ফার্মাসিস্ট থাকা বাধ্যতামূলক। যদিকোনো ফার্মেসি নিয়ম না মেনে ব্যবসাকরে তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যইব্যবস্থা নেওয়া হবে।


এই বিভাগের আরো খবর